| বলিউডে কারিনা কাপুর খান এর অনেক হেটার্স রয়েছে |
প্রথমে আসি ববি দেওলের কাছে। ববি দেওল কারিনা কাপুরের সাথে কয়েকটা সিনেমা করলেও ববির কিন্তু কারিনা কাপুরের অপর একটা ক্ষোভ আছে। এর কারন হচ্ছে জাব উই মেট সিনেমাটি। ববি একটি ইন্টার্ভিউতে জানিয়েছিলেন জাব উই মেট এই মুভিটি ববির প্রথমে অ্যাক্ট করার কথা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে কারিনা আবদার করে বসেন শাহিদ কাপুর যেন এই ছবিতে তার অপজিটে অ্যাক্ট করে। অ্যান্ড এজ আ রেজাল্ট ববিকে এই সিনেমা থেকে বের হয়ে যেতে হয়। কিন্তু ইন্টারেস্টিং বিষয়টা হচ্ছে এই ফিল্মের পরেই কিন্তু শাহিদ কাপুর ও কারিনার ব্রেক আপ হয়ে যায়। আই গেস ববির বদ দোয়া লেগেছিল।
এখন আসি প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার কাছে। প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও কারিনা কাপুরের মধ্যে রেষারেষির সম্পর্ক অনেক পুরনো। এর কারন অবশ্য কারিনা কাপুরের বোল্ড স্টেট্মেন্ট। তিনি অনেক স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড, কাউকে কিছু পরোয়া না করেই যেটা মুখে আসে সেটাই বলে দেন - এটাত আমরা জানিই। ত ঘটনাটা আসলে এমন ছিল একদিন কারিনাকে ইন্টার্ভিউতে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল কোন এক্ট্রেস তার কম্পিটিটর মনে হয়? জবাবে কারিনা কাপুর খান রানী মুখার্জীর নাম নেন। কিন্তু যখন তাঁকে আবার ইন্টার্ভিউতে জিজ্ঞাসা করল প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার ব্যাপারে আপনার কি মতামত? তখন তিনি ইন্টারভিউয়ারকে বললেন আমি ভেবেছিলাম তুমি কোন এক্ট্রেসের সাথে আমার কম্পিটিশনের কথা বলছো! তাহলে বোঝায় গেল কারিনা কাপুর বোধহয় প্রিয়াঙ্কাকে এক্ট্রেস হিসেবে গোণায়ই ধরেন না।
এখন আসি বলিউডের আরেকজন এক্ট্রেস আমিশা প্যাটেলের কাছে। যাকে আজকাল বলিউডে তেমন একটা দেখা যায় না। যায় হোক, কিন্তু তার ডেব্যু ফিল্ম কাহো না পেয়ার হে, যেটা সেই সময় সুপার হিট ফিল্ম ছিল এখন এটা হয়তো অনেকেই জানেনা যে আমিশা প্যটেলের আগে কারিনা কাপুরের কথা ছিল এই ফিল্মটা করার। কিন্তু কারিনা কাপুর এই ফিল্মটা করেননি। বাট ফিল্ম রিলিজের পরে কারিনা কাপুর বলেছিলেন তিনি অনেক লাকি এবং অনেক খুশি যে তিনি ফিল্মটা করেননি। তার ডিসিশনটা ঠিক ছিল। কারন তিনি বলেছিলেন এই সিনেমাটা ঋত্বিকের জন্যেই তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া তিনি আরো জানান ছবিতে আমিশাকে দেখতে তার মোটেও ভালো লাগেনি। কিছু জায়গায় আমিশার মুখের পিম্পলস এবং চোখের নিচে কালো দাগ দেখা যাচ্ছিল। এখন এইরকম স্টেট্মেন্ট কি কারিনা ফিল্মের সাকসেসের কারনে জেলাস হয়ে দিয়েছেন কিনা সেটা তিনি নিজেই ভালো জানেন। অবশ্য তাদের ভেতরের মনমালিন্য বোধহয় দূর হয়ে গেছে। কারন আজকাল ত আবার তাদের একসাথে ছবি তুলতে দেখা যায়।
এখন আসি দিয়া মির্জার কাছে। এমনিতেই দিয়া মির্জা বেশ শান্ত স্বভাবের। এবং দিয়া মির্জা সবার সাথে খুব ভালো সম্পর্ক বজায় রাখে। কিন্তু তিনিও কারিনা কাপুরকে খুব একটা পছন্দ করেননা। কারন একটি অনুষ্ঠানে কারিনা, নাম্বিজা শিরোধকার ও দিয়া মির্জা ইনভাইটেড ছিলেন। এবং সেই অনুষ্ঠানের ড্রেসকোড ছিল সবাইকে সালোয়ার কামিজ পরে আসতে হবে। এবং সাথে ইন্ডিয়ান ফ্ল্যাগ থাকবে। সবাই ড্রেসকোড অনুযায়ী ড্রেস পড়লেও কারিনা কাপুর একটা হেভী জমকালো লেহেঙ্গা পড়ে এসেছিলেন। এখহ্ন কারিনার এমন গেটআপ দেখে দিয়া জাস্ট জেনারেলি নাম্বিজাকে বলেছিলেন কারিনার এই ড্রেসটা অনুষ্ঠানে মানায়নি। ব্যাস, এই কথা যখনই কারিনার কানে গেল চড়ে বস্লেন একেবারে দিয়ার ওপর। অনেক কথা শুনিয়েছিলেন দিয়াকে। দিয়া তখন কিচ্ছু না বলে চুপচাপ রুম থেকে চলে গিয়েছিলেন। দেন কিছুক্ষণ পরে যখন আবার তাদের দেখা হয় তখন কারিনা এত্ত নরমাল বিহেভ করেছিলেন যে যেন তাদের মধ্যে কিছুই হয়নি। এই ঘটনার পরে দিয়া বুঝতে পেরেছিলেন কারিনা আসলে বুঝতেই পারে না সে কখন রেগে যায় এবং কখন চিল্লায়।
এবার আসি বলিউড হাঙ্ক, জন আব্রাহামের কাছে। কারিনা কাপুর খান জন আব্রাহামকে নিয়ে একবার এক ইন্টার্ভিউতে বলেছিলেন, জন আব্রাহাম নাকি একজন এক্সপ্রেশন লেস এক্টর। কারিনার এমন স্টেট্মেন্টের জবাবে জন এর সেই সময়ের গার্লফ্রেন্ড বিপাশা বসু বলেছিলেন, কারিনা একটু বেশিই এক্সপ্রেশন দেয়। এবং ওভার এক্টিং করে। এছাড়া জন আব্রাহাম একটা ইন্টারভিউতে কারিনার এক্টিং স্কিলকে রেটিং দেন সিক্স আউট অফ টেন। অবশ্য তাদের দুজনকে কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোন ছবিতে একসাথে কাজ করতে দেখা যায়নি।
সো, রিডার্স! এই যে এসব সেলিব্রেটি! যারা কারিনাকে পছন্দ করে না, তাদের ব্যাপারে আপনি কি ভাবছেন? কমেন্ট করে জানিয়ে দিন আপনার মতামত।
0 Comments